যে তরুণ হারিয়েছে প্রাণজল
নিদ্রালু ছিলো কি না জানিনা,
নিদ্রাকর্ষণের সুদূর পাড়ায়
চলেছে তরুণ চন্দনের চাঁদমুখ।
দূশ্চর দুর্মর সেই নিদ্রাভিভূত নিলয়,
ওপাড়ায় যাওয়ার আগে
বয়েসের সব সাঁকো পেরুতে হয়নি,
পায়ের নিচে স্রোত, জলাভূমি
জীবনের সব জল চোখেও দেখেনি,
কৈশোরের উচ্ছ্বাস বা তারুণ্যের দ্রোহজল
এতোটুকু নিয়েই আজ সে নিঃস্বর,
আমরা সশব্দে স্মৃতিপদ্য গাঁথি,
সাজি কথাকার,
আমাদের চিদাকাশ চোখে
একবার পুত্রজল, কখনোবা স্বামীজল বধুজল
বারবার বাবাজল, মাতৃজল, দাদুজল, দাদীজল,
নানুজল, ঝানুজল, শশুর-শাশুড়ীজল, চাচাজল, চাচীজল
মামাজল, মামীজল, পেসোজল, পিসীজল, মেসোজল, মাসীজল,
পূর্ণাঙ্গ বয়েসজল, অথচ তরুণ তুমি
অসমাপ্ত জলের কবিতা,
অর্ধসমাপ্ত অধ্যায়,
বারদরিয়ার পূর্ণাঙ্গ জলের ধারা না ছুঁয়েই ছোটালে সাম্পান,
কি অদ্ভুদ চক্ষুদান,
অবশিষ্ট আমাদের চোখে আজ ছড়ালে সমুদ্রজল,
জলের মোকাম, শোকস্রোতে কাঁপা জলকম্প,
স্মৃতিজল প্রীতিজল, আকুলতাজল, ব্যাকুলতাজল
হৃদয়-প্রপাতজল দিবস বা রাতজল
কথাজল ব্যাথাজল দিনজল ঋণজল
জল জল জল জল জল জল মহাজল...