Print

কাব্য আসরপূর্ব যুগলযজ্ঞ

আজ কি পড়বে তুমি ভেজা পদ্য নাকি কামজ কবিতা?

বাইরের আকাশ দেখছে নীরব কার্নিশ।
পা গোটানো ক’খানা চেয়ার, ক্রীতদাস ছিটকিনি,
সাঁটানোর অপেক্ষায় ‘রবিবাসরীয় কাব্য আসরের’ বয়ান-ব্যানার।

শিথিলতার সিঁথিতে সেজে কমছে সূর্যের আলো-তেজ।
ভেতরে তোমার ঠোঁট সূর্যাস্তের চেয়ে লাল,
বাতিটা জ্বলছে, হৃদয়টাও উদভ্রান্ত।
আজকের ঘরোয়া আসরে আমরা কি অগ্রগামী কুশীলব?

তুমি বললে না, আমরা উদ্যোক্তা।
কবিতার পূর্বে কণ্ঠ ভেজানোর জন্যে রসবৃত্ত জপে নেই,
        [কতো আর অক্ষরবৃত্ত, স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত...]
চিবুকে রমণ চাপ। পমেটম ঘ্রাণ।
 আরে চুলের মুঠোটা ছাড়ো,
চিরুনি আয়না আলমিরা সংসার ছাড়াই শুধু মনিব মহড়া!
একি, বুক পকেট উত্থিত কলম লিখতে চায়
আমি কি চলন্ত খাতা, টেপাটেপি ল্যাপটপ?
ঠোঁটকে রাঙাতে হলে তোষিত সবুর চাই।

ভবদীয় কবিদের দলবৃত্তে আগমণ ঘন্টা
            এইতো বাজলো বলে...  
দরোজায় কড়া নাড়ার ভয়ার্ত নোটিশ,
তারও চেয়ে ভয়ংকর দেখি পলকে প্রগাঢ় পরভূত প্রেম!