খেলা’র ঈশ্বর
খেলা নামের খাঁচাটি আসলেই সর্বগ্রাসী
অথবা সর্বোচ্চ প্রশান্তির সহিষ্ণু পতাকা।
খেলতে সেভাবে নামা মানে একাগ্রতা, নিমগ্নতা।
অন্য সব পাপ ভুলে যাই। প্রেম ভুলে যাই।
প্রাত্যহিক সংসার, যাতনা সুখানন্দ সব লীলাকেই গুডবাই!
একটি মানুষ আমি, একক সত্ত্বার।
খেলা পেলে শুধু খেলাটিই খেলি।
খালি পায়ে নয়, ফুটবল পেলে বুট জার্সি আর মনোবল
ক্রিকেট হকিতেও সচকিত, হাডুডু বাস্কেটবল, ঘুড়ি
অথবা লনটেনিস, ব্যাডমিন্টন, সানন্দ সাঁতার মায়
খেলতে গেলেই জানি আমার ঈশ্বর-ধ্যান পাল্টে পাল্টে যায়।
স্থান-কাল-ভেদে খেলার তালিকা-নাম ওল্টায় পাল্টায়।
ফুটবল শেষে সকার-রাগবি হতে পারে, অথবা রমণ,
কিংবা প্রেমের খেলা, না হয় ক্ষমতা-গণতন্ত্র-রাজনীতি
উজ্জ্বল উত্তাল মাঠে আমি খেলি উদারনৈতিকতা নীতি,
একাই গোলের খেলা না খেলে বরং সকলকে নিয়ে খেলি, জিতি।
স্বার্থপরতাকে প্রথম হারাই। হারজিৎ যাই হোক ক্রীড়া-ক্রীড়নক,
আমার ঈশ্বর যেনো-‘বিজয় পতাকা’, দু’হাত বাড়াই...
পাশে এসে রেফারী দাঁড়ান, কানে কানে অদ্ভুত বয়ান
খেলতে নেমেছো মানে তুমি আজ শুধুমাত্রই খেলোয়াড়,
পৃথিবীর সব ভুলে হে প্রজন্ম খেলো জিত্ খেলো হার!
খেলা এক নিভৃত জগত, প্রাণপণ নিবেদনে বাঁচা,
খেলার চত্বরে যেনো বাঘ-মোকাবেলা, নিরপেক্ষ খাঁচা।
পৃথিবীর আলো থেকে মৃত্যু নিয়ে প্রাণিত আলোতে অবিরাম নাচা...