মানব মাপার বাটখারা
তারা কি অনেক সুখী, সেই আদিজন
যারা গাছে গাছে খেলেছে তারুণ্য!
নারকেল গাছে উঠে নিয়েছে ডাবের শ্বাস,
সুপুরী গাছের খোলা বা বাকল খুলে খেলেছে শৈশব গাড়ি,
হেইও হেইও টান
এখনও গাড়ি আছে, টান নেই
ইঞ্জিন ব্যাটারী বা বিদ্যুতের বাহাদুরী,
মানুষের বাহুবল এখন স্মৃতির কারাগারে।
মগজের খেলা নিয়ে খাটছে প্রজন্ম।
মাঠের মানুষ তারা নয়, কবুতর খাঁচা-ঘর আর
টেবিল খাটের পাশে জাদুবক্স টিভির পৃথিবী,
আইপ্যাড ল্যাপটপ প্রযুক্তি-পাগল হাতছানি
বড়ো জোর স্কেটিং আনন্দ পায়ে পায়ে,
যদিও আগেরজন, পূর্বপুরুষ বা পূর্বনারী
খাটাতো পায়ের পাতা; আঙুলের ইন্দ্রজাল; কাঠের খড়ম
দারুণ কৌশল যাত্রা সতত বিরল কালের কপাটে
চটাং চটাং হাটে, চটাং চটাং হাটে...
একপাল সন্তান সংসার, ডাঁটিয়াল মহাফেজখানা
স্উুচ্চ বৃক্ষের মগডাল থেকে জলঝাপ,
সাঁতার-সৌভাগ্য দিন...
কে বেশি খেললো মাছধরা,
সেদিনের জালে জালে কিংবা একালের ছিপে ছিপে
কে বেশি করেছে বন্দি আয়ু-প্রাণ সতত সুখের
অনন্তকালের কতো পাল্লা-পাথর ওজনদার স্মৃতি,
কে বেশি রাখলো বলো মাটিপ্রেম,
প্রাণিপ্রেম, মহীয়ান মনুষত্বের সুকৃতি।