পরমাণু পদ্য
এক. প্রণয়ের পাখি, দুজনেই পাপী, প্রাণচোর,
যেমন আমিও ফুলের কাঙাল, ঘ্রাণচোর!
দুই. শপিংমলেই সুখ শীতাতপ, নামানামি,
কেনা-কাটা নয়, কাজ মহাকাজ: দামাদমি!
তিন. সরবে যেদিন বিদায় গুণেছে সতীদাহ,
নীরবে সেদিন নারীও বুনেছে পতিদাহ!
চার. সতীদাহ হলে, খবর বেরো’য়, দেখা যায়,
নারীরা পোড়ালে লজ্জিত স্বামী, লেখা যায়!
পাঁচ. নারী মাছ হলে, পুরুষেরা জাল, বরষায়,
খেলাটি আসলে পুরোটি জলের ভরসায়!
ছয়. তনুতে তনুতে মেলাতেই সিঁথি-ঘর,
অণুতে অণুতে পরমাণু, ভীতিকর!
সাত. নদী থেকে নদ, প্রপাতের হ্রদ, আসমান,
পলি-দ্বীপ-চর, পাহারার ঘর ভাসমান!
আট. নদী যতো বড়ো, গড়ে বন্দরও, বিশালতা
বহুজন চাপে, ভাঙনেও কাঁপে সিসা-লতা!
নয়. মৎস্য সেবায় কী লাভ সাগর পুকুরের?
নদী কি খাদক? তুলনা অধিক কুকুরের!
দশ. ভোটের মালিক আম-জনগণ, ভাতের মালিক নয়,
ভোট ও ভাতের কূট কৌশলে ফলাফল ছয়-নয়!
এগারো. বাংলার প্রাণ বাংলার ঘ্রাণ, প্রবাসিত,
হাইব্রিড দেশে বাঙালি যুচছে ডোবা- শীতও!
বারো. তোমার নিকট স্বপ্ন এবং ঘর জমা
পাঠ্য তুমি, আজ তোমাকেই তর্জমা...