সূচনায় সৌহার্দ্য সত্তর
ডাক এলো কলকাতা থেকে,
সৌহার্দ সত্তর নামে কবিতা উৎসব থেকে,
ডাক এলো বাংলা আকাদেমি মঞ্চ থেকে
বাংলাদেশ পর্বটি সানন্দ সঞ্চালনের
করতালির কোরাস,
পোডিয়ামে আমি
সামনে দেড়শ কবি, তিনশো দর্শক
কবিতা কবিতা খেলা, ছিপ-বড়শি-পুকুর, প্রকাশনা ঢেউ,
আমার ধ্বনিতে সত্তরের বাংলাদেশ
বারুদ মাখানো স্মৃতিযুক্ত
যুদ্ধক্লান্ত অমিত কবিতাতেজী
সৌহার্দ্য সত্তর,
আমার সামনে কবিক্রম,
ঘড়ির গোলককাঁটা -
সময়ের ঘেরাটোপ,
আমাকে ডাকতে হবে, তার আগে
পান্ডুলিপিহীন কন্ঠে খুলে দিতে হবে
কবিবন্ধুর খোলস, জীবনিকা,
জীবন পাতার সিঁড়িলাগা ঢেউ, কাব্যপরিক্রমা,
বুকের ভেতর বুঁদ হয়ে বসে থাকা
সৃষ্টিমুখর পংক্তিমালা.....
আমি আবৃত্তির খাপ খুলতেই,
সৌহার্দ সত্তর খানিকটা সরে গেলো
নয়টি আসন একে একে খালি দর্শক সারিতে -
সেখানে হঠাৎ দেখি, একি -
সৌহার্দ সত্তর-এর পাশে বসে হাসে
অবিনাশী আশি,
নিবিষ্ট নব্বই,
অনন্য শুন্য বা
দুরন্ত দশ, যা
কালজয়ী কুড়ি
তরঙ্গ তিরিশ
চলিষ্ণু চল্লিশ
প্রশান্ত পঞ্চাশ
সাহসিকা ষাট
এরকম নাম নিয়ে আমাকে বোঝালো
অদেখা অব্যক্ত আকুলতা -
তারাও সুমঞ্চ চায়,
হতে চায় কবিতা মেলার দশক দুয়ারী উপাচার,
তারাও শোনাতে চায় উথ্থানের রূপ-আচার।
এমন সেতুবন্ধের সুকৃতি-সময় বিভাজন
কবিসম্মেলন সংবাদ সমাচার।
মাথা নাড়লাম। ওড়ালাম সম্মতি পতাকা।
বললাম, শুরু হোক খোড়াখুড়ি, যোগাযোগ, ই-মেইল চিঠি-পত্তর,
যদিওবা সূচনায়; মৃদু ইতিহাসে প্রিয় নাম সৌহার্দ্য সত্তর