সুসং দুর্গাপুরে
নদীটা সোমেশ্বরী, সুসং দুর্গাপুুরে
কবিতা নদীর পাশে, কবিতা সুর সাপুড়েঁ
যেন সে বাশিঁর ওঝা, বিষেরও সাপকে ধরে,
অশুভ অনিষ্ট কে; ডালিতে পাপকেক ভরে।
কবিতা সাদা কোকিল-ডাকে সে সুস্থতাকে
পৃথিবী লাল হতো না-যদি সে বুঝতো তাকে-
রক্তে সহিংসতা-এতো যে খুনের খেলা,
কবিতা নদীর বুকে সততা, গুণের ভেলায়।
ভেলাটি উঠলো মেতে-মিলনে সুসঙ্গতে-
কবিতা উৎসবেতে মেতেছে ত্রিবঙ্গতে
মেলাটি বাংলাদেশে, স্বদেশী সার্ধ কবি-
এসেছে কবি আশিস, ভারতে বঙ্গরবি,
এসেছে প্রবাস কবি – সুদূরে; আমেরিকার
তিনটি বঙ্গ মিলে এখানে কবি শিকার।
এখানে দুর্গাপুরে কবিতা আরেক নদী
এখানে সৃষ্টি-সাঁতার, সতত জল-অবধি।
এখানে শিশু-কিশোর, তরুণ বৃদ্ধ যুব-
তিনটি বঙ্গ মিলে খুঁজেছি সত্য শুভ।
এ মেলা সেতুবন্ধের, কবিতা গান ও গীতির,
এঁকেছি নতুন ছবি-পুরোটা প্রাণ ও প্রীতির।
এ মেলা হৃদয় কেঁপে, চিরটা দিনের সাথী
কবিতা দুর্গাপুরে, জড়ানো নেত্রকোণা,
দু’চোখে গারো পাহাড়, ছড়ানো আলোর সোনা।
ওপরে ওঠার নেশা, সুদূরে ছড়িয়ে পড়া,
কবিতা মেলায় এসে মিলনে নিজকে গড়া।
পাহাড় ও মমতলে অদলে বদল খেলা-
বই বা ছোট কাগজ, আড্ডা স্মৃতির মেলা।
অথবা কর্মশালা, কবিতা ব্যাকরণের
ছন্দ বাক্যরীতি, বুনন প্রকরণের,
কেমনে স্বরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত বা কী?
অক্ষরবৃত্তে ও কে মেরেছে মাত্রা ফাঁকি!
এই যে মূল্যায়নে নিজেকে শুধরে নেয়া
কবিতা মেলা মানেই সখেদে দেয়া ও নেয়া।
উপমা উৎপ্রেষণ, কবিতা অনুপ্রাসের
শরীরে ছন্দ ধরা, রয়েছে নিয়ম-রীতি,
ব্যঘাতে ব্যাকরণের কবিতা ভুল আবৃত্তি-
এভাবে এ উৎসব না ভোলা স্মৃতি পারে।
এভাবে মিলনমেলা কাব্য অনুরণন-
কবিতা সমাবেশের করছি উদ্ধোধন।
ভূগোলে কবিরা এক, থাক না যতোই দূরে
আবারো মিলবো বুকে সুসং দুর্গাপুরে।