উপপাহাড়ের বৃক্ষ
হিলসাইড হেলে গেছে গাড়ি-লরী চাপে।
কুইন্স কাউন্টি মানে কিছু ফ্যাশন পাহাড়
আলগা মাটির বুক উঁচু সৌন্দর্যে বিছানোপথ,
প্রমোদে বিহঙ্গে যাত্রা বাগান বিহনে ওঠা নামা
এখন ট্রাফিক লটে কিংবা জ্যামাইকা জটে
পরিভ্রমণের পঞ্চমুখ-মন অবরে সবরে সংকটে
বিটপী সবুজ ঢেউ, সুবোধ শ্বাসেরা অকপটে
মাঝে মোহবিষ্ট পথের বাহন,
খানিক ঝড়ের কাঁপুনিতে বুক পাছা মেলে দিয়ে
শুয়ে পড়ে বৃক্ষদেহ, স্টপ টু হাইল্যান্ড. . . .
নুয়ে পড়া এক সুদীর্ঘ মেয়াদী পথ-নিরোধক,
প্রশাসনে কারণ-ব্যকরণের সংজ্ঞা খোঁজা, সময় ক্ষেপন,
শায়িত বৃক্ষের কাছে যাই। ঘনÑঝড় স্যান্ডীও শত্রু নয়।
বলে, মহানগর, বৃক্ষবিভাগ কেউ নয়,
আমাদের বারোটা বাজায় এলিট গবেষকেরা,
কেউ কেউ এ পাড়ার পার্থিব বাসিন্দা।
মাটির ভেতরে শোয়া সুয়ারেজ-টেলি-বিদ্যুৎ লাইন
গাছের শেকড়ে যেন না আনে ক্ষতির বার্তা. . . .
বৃক্ষ কাঁদতে কাঁদতে বলেÑদেখো, নিুতল দেখো,
আমার মূলত্র দেখো, শৈশবের খৎনা দেখো,
বহিরাবরণে লকলকে, ভারত্বে আলগা,
মৃদু ঝড়ের মাতাল যুবারা তাই নামায় দীঘল বৃক্ষ।
দেহভোগের ঘটনা ঘটে
তবে উপপাহাড়ের উপকথাগুলো
উপেক্ষার ঢালু জলে ঠাঁই নেয় নর্দমায়।