Print

একটি চিকন জীবনপঞ্জি

কবিতা ভীষণ পাড়া বেড়ানিয়া, পর্যটকের চোখ।
দু’চোখে রয়েছে নিটোল দু’পাখি উড়ানিয়া নীল পাখা
সতত ছড়ায় ফিনিসের স্মৃতি, বহু রঙ বহু কালি,
সে পালক দিয়ে পৃথিবী তাকানো অনুভব লিখে রাখা।

পাখিচোখ নিয়ে কবি হেঁটে-ঘেটে ছবি দেখে হতবাক
ভ্যানগগ-গঁগা মনে-মানে আঁকা সেজান-পিকাসো কাঁখে
প্রকৃতির যতো রঙ ধার নিয়ে লং ক্যানভাসে হাঁটে,
কবির তুলি কি রাঙাবে অধিক-মেঘেরা প্রশ্ন রাখে।

তুলো মেঘ তুমি পরীক্ষা চাও, কতোটুকু অধিকার?
সূর্য-তাপের করুণা না হলে কে ধারে তোমার ধার,
কালো সন্ত্রাস, যুদ্ধ বাঁধিয়ে বৃষ্টিকে দাও বেগ,
কবিতা এমন ভাঙা-গড়া নয় পেজা তুলো ফুৎকার।

ভবঘুরে বটে কবিতা সকল, অনেক ভ্রমণ মিলে
এক রচনায় কিছুটা পৃথিবী অথবা দীর্ঘ বাস
পশ্চাতে তার হাঁটে বিজ্ঞান, রাজনীতি দর্শন
ঘটনার আগে পৃথিবীর সাথে পয়ার ফেলেছে শ্বাস।

সেই নিঃশ্বাস, ক্ষত বিশ্বাস, সবুজ জামার লাশে
গদ্যের লাল, যন্ত্রের দেবী মানুষ ফেলেছে ফাঁদে,
শুদ্ধ বায়ুর আয়ু অসহায়, কবিও সিঁড়িতে কাবু,
একটি চিকন জীবনপঞ্জি বই-এর মলাটে কাঁদে।