Print

বিশ্বাসী হাওয়া এবং প্রতারক স্বপ্ন

চাঁদে উঠে আমি পৃথিবীর দিকে তাকানোর আগে প্রথমেই ছিপ
ফেললাম তুমি উঠে এসো নারীমাছ। হয়তো অবাক চোখে
ভাবছো অনেক প্রশ্ন। আমি কোন্ রকেটের তরতর সুপারসনিক
গতিতে চন্দ্রজয়ী নীল আর্মস্ট্রং সেজে বসলাম। হয়তো ভাবছো
ভারতের পৃথ্বী বা পাকিস্তানের ঘোরী পারমাণবিক বোমার মাথায়
চন্দ্রপৃষ্ঠ দখলে এসেছি। নাকি মার্কিন নাসার নভোচারী বহুজাতিক।
ইরাক, আফগান তালেবান অভিমুখে চাঁদের অন্ধকার চিরনিশ্চিত
করতে ব্যাগ্র। হয়তো একাজে ওপি-ওয়ানের নতুন সুবিধে
নিয়েছি।
তুমি তো জানতে, শয্যাসেবার জন্যে রাশিয়ার বেলবটম পরিহিতা
আপেল গালের রস-রঙিলারা আমাকে টানতো। তবে দেখো চাঁদে
নেমে ছিপের রজ্জুটি আমি তোমার ঘরের ছাদেই নামালাম। তুমি
উঠে এসো হাওয়া বিবি।
চর দখলের ভূখন্ডে, দেশদখলের রক্তস্রোতে, সন্ত্রাস তাড়ানো
হেফাজতেও মৃত্যু আছে। নতুন সন্তানেরা আসছে আর বিনিময়ে
সুন্দর পৃথিবীর ভবিষ্যৎ ঢুকে পড়ছে ঐসব গর্ভে। তাই স্বপ্নকে পায়ে
দলিয়ে, সশস্ত্র সমাজপতিদের এড়িয়ে রশিতে হাত দাও। গলায়
জড়ালেও খুঁজে পাবে শান্তি চাঁদ, নতুন ভূ-পৃষ্ঠ। স্বপ্নটি ভেঙে
যাওয়ার আগে ধরে ফেলো আদমের সঙ্গ। আরেক পৃথিবীর বেলুনে
হাওয়া দাও, অঙ্গ দাও। খুনসুটি সারাতে যে বিশ্ববাঘের
অভিভাবকত্ব, সেই রণে ভঙ্গ দাও। বড়্শীর ব্যথা থেকে ছিপমুক্তির
উল্লাস নাও।