Print

বিষ ও সাহিত্য কেন্দ্র

বিষ ও সাহিত্য কেন্দ্র দুটোকেই ভালোবাসি।

নারীর সম্মুখ অথবা পশ্চাৎ মেনে নেই  নতমুখে।

এতোসব হিসেব নিকেষ হালখাতা

প্রিয়দিন-জন্মদিনে যে বান্ধবী যে বছর

যে ঠোঁটে নেভায় লাল মোমবাতি

সেদ্ধ ডিমের আদলে সেই জোট বাঁধা ঠোঁটের আগুন

আমাকে ভরিয়ে দেয়।

ভুলে গেছি বিরহের সঙ্গীত-সংজ্ঞাটি

কোনো ফাঁপাফোলা হৃদয় পাঠের কাজে নয়

পাবলিক লাইব্রেরি এখন সত্যিকারের পাঠাগার।

আশির দশক বাসী করে

কখনো কি শাহবাগে এসেছো আবার দৌসী?

প্রেপসু চোখে খোঁজা ঈদকার্ড, রেখায়ন, বাদাম-বিকেল

সবটাই  অসুস্থ  হাসপাতালের খিদের খোরাক,

পাপ্পু হোটেলের কাপভাঙা কবিরা এখন কোহিনূরে  বসে।

একদা আসবে তুমি প্রবীণ্য সমেত,

ডায়াবেটিক্সের রুগ্ন সাথীটিকে সাদা বেডে রেখে

ফোন-ফ্যাক্স-শপে এসে দূরের  কন্যাকে দেবে

                                                ইথারে বিষাদ,

নিকটের  হৃদয়ের  জাদুঘর থেকে খুলে যাবে স্মৃতি।

ঈষৎ পশ্চিমে যেখানে ঝোঁপের আড়াল ছিলো,

যেখানে প্রথম ভাঙালাম মনের মুদ্রাটি

সেখানে এখন সাদা মসজিদ, জানি আসবেই তুমি

রুগ্ন সাথীটির জন্যে দেবে শিরনি ও মিলাদ।

স্মৃতি আর স্বামী দুটোকেই ভালোবেসে দাঁড়াবে খানিক,

একটি না মেলা জুটি হেঁটে যায় তাবৎ জীবন

পাবে না হিসেব-ফলাফলÑ পাবে না আমাকে...

অবশেষে আমি এই ভেজাল এবং অপ-সমগ্রতার যুগে

খাঁটি বিষ ও সাহিত্য কেন্দ্রকেই  নারীর অধিক

হৃদয় পকেটে রাখি, আগলে আগলে রাখি...