উপমহাদেশ
জমজেরা গর্ভেই যৌনতায় জড়াজড়ি করে
এইসব না দেখা বিষয় নিয়ে ঔৎসুক্যে মেতে আছে
বিজ্ঞানের বাঘ,
প্লেটোর বর্ণনা শুনি
আটলান্টিসের শাসকেরা সব জমজ ছিলেন,
সে এক শাসন প্রথা
একটি সিংহাসনেই দু’জন আসন নিয়ে
শাসনের ঘাম ঝরাতেন।
কিন্তু স্বাধীনতা ঘোষণা নিয়ে বাগাড়ম্বরে
হয়নি হাতাহাতি।
রাতারাতি অন্য অনেক কিছুই ঘটে যেতে পারে,
গণতন্ত্র ঘটবে না।
চব্বিশ বছরে যদি স্বাধীনতা আসে
পরাধীনতার জন্যেও ক্ষয় হয় তিন-চার-পাঁচটি দশক!
পরাশত্রুদের প্রচেষ্ঠার কাঁথা একদিন বোনা হয়ে যায়।
মানচিত্রে যমজ সন্তানেরাÑ একজন রাগী হলে
অন্যজন সরল সুবোধ,
দ্রুত মৃত্যু আর দীর্ঘজীবীর দু’মুখো জীবন।
পাথুরে পাহাড় হিমালয় পিঠে নিয়ে পুষ্টি প্রযুক্তিকে
ডাকে জননীর সাদা হাতি, ডাক নাম উপমহাদেশ।
এতো তার যমজ সন্তান,
কেউ সমকামে, কেউ যৌনতার অতিঘামে
কেউ আবার মৌলবাদের বদনামে কাঁদে প্রতিবন্ধী কান্না!
বিশ্ব বিজ্ঞানের বাঘ, ঋণদাতা মহাজন
একযোগে নিরাময়পত্র দেয়,
প্রাচ্যের সরল কানে প্রতীচ্যের ব্যান্ড, এইডসের আতশ,
তবুও একটি সাগর ঘিরে তিনটি পেশীর শ্রমে
কৃষক-শ্রমিক-জেলে ভাত-কল-মাছে রাখে জীবনের গতি।
যতোটা না সতী,
উপমহাদেশে তার খ্যাতি খায় অতিহার সন্তান-সন্ততি।
গর্ভে নড়ে সমাজের রাজনীতি, সভাপতি, সেনাপতি...।