সন্ত্রাসের বিশ্বায়ন
০১.ট-তে টাইটানিক
ট-তে টুইন টাওয়ার
ট-তে ট্রেড সেন্টার
ট-তে টাকাও হয়, ভাষান্তরে ডলার।
যে শহর জীবিকা দেয়
তার শিরোদ
তার মু-ুপাত
রক্তের প্রপাত থেকে
শুধুই মানুষ পায় সন্ত্রাসের ধারাপাত।
০২.
মাদার তেরেসা, শান্তিকন্যা সামান্থার শোকার্ত সেপ্টেম্বরে
বিপন্ন বিমান খেলো জীবন্ত-যাত্রীর হাড় গোড়,
পারমাণবিক দানবেরা লজ্জা পেলো,
শয্যাশায়ী হলো সব উঁচু নাক,
সুপারসনিক নিয়ে বাড়ন্ত গবেষণা,
হাইওয়ের গোয়েন্দা যখন
সাধারণ ছোরাকে শুধুই ঢোঁড়া সাপ ভাবে,
যেমনটি তৃতীয় বিশ্বকে কেউ কেউ দেখেও দেখে না,
তবুও নিরিবিলি ডুবে থাকে শ্রমের উনুন পাশে,
পরিজন ভালোবেসে চিঠি লেখে, সন্ত্রাস লেখে না...।
ভোঁতা ছোরাও টেরর হয়, আদেশ আবেগে
উড়ান আয়ত্তে নেয় প্রাণক্ষয় অভিযানে,
অপলক একবিংশে একজোড়া একশ’ একুশ তলা
দুমড়ে-মুচড়েযায় ধাক্কার কৌশলে!
বিশ্ব-বাণিজ্য তীর্থে কুহু কুহু কাঁদে বিশ্বায়নের কোকিল।
একদা মার্কিন সমুদ্রের নিশুতি গোগ্রাসে
বৃটেনের জীবন্ত টাইটানিক খোয়ালো দেহের প্রাণ,
সেই ছায়া-মায়া নিয়ে পৃথিবী কতো না কাঁদে,
প্রেম সব কেঁপে ওঠে অতলান্তিকের জলজ শীতলে...
আর টুইন-টাওয়ার, এই পাথুরে বিস্ময়
যতোনা বিস্ময়কর নির্মাণে
ততোধিক বিস্ময় সকালের সিনে-ভাঙনে।
হাত ধরাধরি করা গ্লোবাল ভিলেজ,
পারমাণবিক শত্রুর বদল হলেও
মানুষ বদলালো না,
যেমন পৃথিবী ছোটো হয়ে আসে আর
তার গোলককে চোয়ালের লকেট সাজিয়ে
ফুঁসছে আরেক দীঘল পৃথিবী, সন্ত্রাসের ফণা!