রোগের নাম অহমিকা
প্রতিদিন মৃত্যু দেখেও
নিজেকে অমর ভাবা
এও এক প্রসন্নতা রোগ,
হয়তো ডাকতে পারি অহমিকা নামে।
কী তার ওষুধ?
শুধ্ইু কি ধর্মগ্রন্থে আছে তার
প্রেসক্রিপশন, নিরাময়পত্র?
হাসির মানুষ বাসী হয়ে চলে যায়,
বলে যায় গুডবাই প্রাণের চেয়ার!
আসনটি রেখে যান সঙ্গে সে ভাষণ
মানুষেরা সারিবদ্ধ হয়ে জন্মে
একটি একটি করে তবে দেখেও দেখে না
পিঁপড়ের গতিধারা, ধাপে ধাপে ক্ষুদ্র মৃত্যু...
বারোমাস বারোয়ারী উল্লাস মিছিল ছোঁয়
প্রাণ থেকে প্রাণে
বেঁচে থাকে জীবনের সেতুবন্ধ।
প্রসন্ন মানুষ পশু সেজে পাগলের পাশা খেলে,
সূর্যের হাসিতে হাসে, রাতের রমণে ঘামে
নামে বদনামে, মোহময় সুরে স্বরগ্রামে
অধিক মানুষ অমরতা খুঁজে ফেরে।
অথচ পায়ের কাছে পিঁপড়ের সারি
মৃত্যুর মিছিল নিয়ে হাঁটে,
কাঁধে কাঁধে একযোগে হয়তো কফিন! তাই
অহমিকা তোমাকে কবর, তোমাকে পোড়াই।