Print

মহিমা নায়িকা হলো

মহিমা নায়িকা হলো তবে শুভ মহরতে নয়

মহিমা সিনেমা হলো, পেছনে শান্তির পরাজয়।

একটি  সরল মেয়ে, নায়িকা হতেই পারে।

পুঠিয়ার মফস্বলে পাঁচ ফুট কেশবতী মানে

উদভ্রান্ত যুবকের দু’চোখ টাটাবে,

এ আর এমন কি বিশৃঙ্খলা?

এ এক শাশ্বত রমণীয় বেড়ে ওঠা

যদিও সে ভাইফোঁটা ছুঁয়ে থাকা মায়াবতী সহোদরা।

হয়তো হৃদয় ছিলো তবে সস্তা প্রেমের হাটে সওদা করেনি।

এবং শরীর ছিলো যা থেকে প্রতিহিংসার চোখেরা সরেনি।

ভাই-এর শত্রুরা এসে বোনের বাগানে খোলে নগ্ন তলোয়ার,

গাছ ফুল চারা প্রশান্ত সুঘ্রাণ... একে একে

দু’চোখ, দু’ঠোঁট, দুটি সূর্যমুখীÑ সব ল-ভ- দশটি মুঠোয়

পাঁচ ফুট জমিনে চালায় ইসে-বিষে পাঁচটি লাঙল,

পাষাণের পালা দেখে প্রহর প্রহরী আর বিবেক পালায়।

এখানেই ঘটনার শেষ নয়।

এই যে কাহিনী বন্য নগণ্য জঘন্য তাকে জনারণ্যে তোলে,

সদ্যজাত যে তরুণীবাঘের ছোবলে হরিণীর  হতশ্রী  হারালো,

সমাজ তাকে তো বিসর্জন দেবে এই নোনা প্রত্যাশায়

সেই বিবস্ত্র নাটক; পাশবিক উল্লাসের হাসি; দেহের সংক্রমণ;

সুড়ঙের ভেতর যেমন ট্রেনের গমন,

ফিসপ্লেট খোলা কঠোর রেললাইন, মধ্য পায়ের ব্যায়াম

নিচুমুখে অসভ্য বমন  সব নিয়ে এই চিত্রনাট্য।

সবটা ধারণ হলো গান-নাচ-জিঘাংসায় মিনি সিনেমায়,

যাকে কেউ কেউ হালে বলে প্যাকেজ প্রোডাকশন।

সিনেমারমুক্তি হলে নবমুখী নায়িকারা মিষ্টান্ন বিলায়,

মহিমাও নায়িকা হলো তবে শরীর বিলিয়ে।

সেন্সর বোর্ডের কোন বাধাও ছিলো না,

এডিটিং প্যানেলে তার লাগেনি নতুন ডাবিং,

সব চিৎকার, শীৎকার একাকার করে

শেষ রক্তে লিখে দিয়ে গেলো বিশাল টেলপে

                একটি পুরনো নাম ঘৃণা।

জানি না দ্বিতীয় ছবি কাকে নিয়ে!

তবে নাম জানি প্রতিহিংসা, পাশবিকতা, পশুরাজ,

                পাগলা কসাই আর নায়িকা হবেন

হয়তো  নীহার বানু, নূরজাহান, ইয়াসমীন, রীমা সীমা...

অথবা আবার সেই হারানো মহিমা, ফাহিমা!