কিশোরীমোহন মানবধিকার
মার্কিন মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং স্মরণীয়বরেষু
মানবাধিকার বড়ো মুখর হয়েছে, মানুষ হলো না।
দানবের পুঁজি থেকে একমুঠো অনুদান এসে
তোমাকে সাজাই প্রিয়ংবদা মানবাধিকার,
তুমিতো আমার প্রেম, স্বপ্নের সৌরভ
তবে প্রণয় সংসার নও,
তোমাকে হৃদয়ে রাখি নিভৃত অজ্ঞাতে,
মাঝে মধ্যে সেমিনারে, কবিতায়, আর্টিকেলে
ক্ষণিকের অবলা অতিথি,
তোমাকে দেখলে লজ্জা-অপমানে লাল হয়ে ওঠে
সমাজের ফ্লোরেসেন্ট বাতিগুলো,
টসবগে ঝাড়বাতি যেন ভেঙেই পড়বে
তোমাকে মু-ুুপাতের রাগত ইচ্ছায়।
দোহাই লুকিয়ে থাকো,
দানবের ভালোবাসা দেখো
পুরো ড্রয়িংুমে পাদুকাসমেত পাশাপাশি বসা,
হেমন্ত-বিকেলে জানালার পর্দা টেনে
বেডরুমের চোখের পাতা আলতো ভেজিয়ে দেয়,
আলতো আরামে শেষে রমণীয় নদীপটে
ক্লান্ত সূর্যকে ডোবায়।
সূর্য আবার ভাসে, হাসে দানবেরা নগদ আলোয়,
খোঁজে তারা মানবাধিকার কন্যাকেও,
লালসার কড়াইয়ে ঢালে বাসনার খাঁটি সয়াবিন,
অথচ আরেকদিকে অপেক্ষার কেক কাটে
সেই সোমত্ত কিশোরী,
জ্বালিয়ে মানবতার মোমবাতি একটি একটি করে
নেয়ায় সমূহ সম্ভাবনা, কায়মনো-কণ্ঠে বলে
সূর্যের আলোটা এরকম হবে কবে
দানবেরা দেখবে শুধুই আঁধারের বিবমিষা,
গলাখুলে গান গেয়ে উঠবে অ্যাকুরিয়ামের মানবাধিকার।