পরাভূত পলিথিনে অপরাজিত সন্ত্রাস
পলিথিন ঘুমালেও বাঁশি হাঁকে সজাগ-সন্ত্রাস।
কোমল পুতুলদেহ নিয়ে পরাস্ত অক্ষয় পলিথিন,
জন্ম তার নিষিদ্ধ হয়েছে মানুষের কোলাহলে,
কিন্তু সশস্ত্র সন্ত্রাস?
মানবতার রক্তাক্ত কান্না, শান্তিখোঁজা বসতির ভূমিকম্প,
রমণী গোলাপ লোলুপ হাঙরের গ্রাস, চাঁদার চার্জলাইট
অফিসেও আছে কিছু ফাইলের ফাঁদ,
হয়রানির সাপলুডু খেলা...
এইসব নিয়মিত অনিয়ম,পলিউশন
পলিথিনে ভরে সাগরে ডোবান-
এমন বাণীও দিতে নেই, দেওয়ালেরও আছে কান...
এবার উল্টিয়ে বলি
কোথায় যাবেন তারা, যারা সন্ত্রাসের ঘোড়া,
কোটি কোটি হাতে নেই কাজের গোলাপ,
অথচ পকেট-পেট বিদ্যাপীঠের সার্টিফিকেট,
প্রণয় পাগল মন, ভারবাহী পরিবার
সব রোদে হাহাকার,
কিছুটা জন্মান্ধ পাপ, বেশিটাই অভিশাপ!
ভয় হয় জ্বর সারানোর এইসব কুইনাইন নিয়ে,
তারাও আক্রান্ত হলে সারাবে তাদের কোন শীর্ষ চিকিৎসক?
তারচে বরং পলিথিন-পুতুলকে ঘুম পাড়ানোর কাজে
পরিবেশ, বনায়ন, পাবলিক টয়লেট, ট্রাফিক-ট্যারিফে
গরিবী-জরিপে, মঞ্চে-মহড়ায়-ক্রীড়ায় কবিতায়
পশু প্রতিপালনের প্রক্রিয়ায়,
কাজের খোঁয়াড়ে নিয়ে গোয়াঁর সন্ত্রাস,
সমাজের ভাঁজে ভাঁজে সাজাও নতুন রঙে
বেকারের বাঁশি ধরা হাত।
ওদের দরোজা দাও শ্রমমেলা ছুঁয়ে দেখবার,
ওদের ভরসা দাও পুঁজিমেলা থেকে চারা-ঋণ হাতড়াবার,
ওদের সুবিধা দাও ভাগ্যমেলায় ঘোড়া দাবড়াবার
তারপর অগ্নি মশাল দাও
সন্ত্রাসের-ডাকাতের পাড়া জ্বালাবার।
স্বাধীনতা এনেছে, নেই পলিথিন পুতুলতা,
তারও আছে জায়মান জীবনের গান...
সেখানেই দিতে হবে সুর, পাখি-পোষা বাণী
সুদিনের শাসন-সন্ধান।