Print

বুড়ো নদীদের দেশে

নদীরা বুড়ো হয়ে বাংলদেশে কেনো? বিদায়ী আশ্রয়ে?

স্রোতেরা দক্ষিণে, খরাতো উত্তরে, ব্যথারা পশ্চাতে

সমুখে প্রত্যাশা, সাগর সংকটে জলোচ্ছ্বাসে কাঁদে,

পূর্বে সংগ্রামী সাতটি প্রতিবেশী গোপন সম্পদে

আপন মাটি খোঁজে। কি বলে পশ্চিম? কেনো যে বোবা পাখি?

 

বোবা বা ডোবা নয়, স্বাধীন চরাচর, দুঃখ বরাবর

বাগান ফুলভরা, মালীরা অভাগত, শহীদ মহিমায়

খবরে শিরোনাম। জননী জেগে থাকে, ক্ষমতা ঘরে তোলে

ফুলকে ফোটাবার, রোদকে নামাবার, শীতকে তাড়াবার

 

তাড়িত হয় সুখ! দু’হাত ভিক্ষুক, সবইতো সিঁদ কাটা

বাড়ির তিনপাশে ডাকাত ভূগোলের, খেলছে জমিদার

নদীতে দাবাখেলা, জালেও মাছধরা, খেলেছে সেচ খেলা

খেলছে যৌবন, ফেলেছে মরা-মল, কাঁদছে নদীসুখ।

বরফ গলে গলে বৃষ্টি-ঝরনায় গড়ানো পানিসুখ

বালির অভিশাপে; নদীরা ট্রানজিটে সেজেছে যাযাবর,

 

হ্যাংলা দেহ নিয়ে হ্যাংলা দেশে ঢোকে, শ্মশান কত দূরে?

নদীরা বুড়ো হলে চিতার দেশ খোঁজেÑ সাগর ছো’বে বলে!

নদীও কোরামিন খুঁজছে প্রতিদিন, খেলাপী নদী-ঋণ

বাড়ছে বাঙলায়, কাঁশছে বুড়ো নদী মুক্তি কামনায়...