হলদিয়াদিন হলদিয়াবার
কবি ও সেবা-সংগঠক তমালিকা প-াশেঠ এবং
গণ-সংগঠক ও জনপ্রতিনিধি লক্ষণ শেঠ সহৃদবরেষু
কব্জি-কোমর হাঁটু-গিরা-তল সবটা সচল
সব দেহ মন বড়ো অগণন চেনে সম্মুখ
উড়ো উন্মুখ, মাটির মানুষ মাটি মাখা ভূত
তবু ছুটে চল্, সামনেই চল্, গঙ্গা-হলদি
একজোড়া নদী জমজ সর্গ, সেখানে চুমুক
আত্মার জুটি, হাতধরাধরি, মধুমিলনের
প্রকৃতিবাসর। মাতাও আসর বর্ণকে ভুলে,
কর্ণে ও চুলে মৌলবাদের ধ্বনি রং নেই
শনিবার নেই রবিবার নেই, এইখানে শুধু
হলদিয়াবার, হলদিয়াবার, হলদিয়াবার...
এতো বড় ঢেউ, কোটি আঙুলের, লাখো শরীরের
একযোগে হাসে বছরের হাসি, কতো সাধারণ
কষ্টে বুনেছে বিক্রির কাঁথা, মেলাকে সাজায়
হাত পাখা বাঁশি, বাংলার ঢোল, নোলকের ঢল
বিদায়ী আলতা, সিঁদুরে সিঁদুরে সরিষা বাগান।
যাত্রার পালা, টকিজের গান, কবিতা কোকিল
পোস্টারে দেখা হালের নায়িকা হুড খুলে হাঁটে
হ্যালো হেলিপ্যাড হ্যালো হেলিপ্যাড, হাঁটে হলদিয়া
বন্দর বুকে এতো উৎসব, শিল্প সরস
শত সৃষ্টির কতো পণ্যের ব্রত বিকিকিনি।
শঙ্খ সেঁজুতি, স্বাস্থ্যের গতি, প্রতিমা প্রগতি
নবপরিচয়, সাং বিনিময়, নমঃ নমঃ জয়,
জোশে কোলাকুলি, সালাম-আদাব, মহামিলনের
ঈদভোলা দিন, পূজোখোঁজা দিন, চৈত্র শেষের
হালখাতাময় নাকি ভালোবাসা নাকি বড়োদিন?
প্রণয় পাখিরে কবিতা মাখানো দেওয়ালির রঙ,
সবটা মিলিয়ে রঙধনু বলে সেজেছি স্বাধীন
হলদিয়াদিন, হলদিয়াদিন, হলদিয়াদিন!