Print

মানুষ থাকে না তার নামের ভেতর

বলোতো মানুষ, নামের ভেতরে সেই

অভিধান চাপা পড়া নামের মানুষ কই?

রঙিন প্রচ্ছদ হয়ে নামের পোশাক আছে

অথচ নামের শিকড়, আদ্যপান্ত ক’জন খুঁজি?

 

আকীকা নামের হয়, শুভ দেখে

     নামজারি দেহের জমিন,

হয়তোবা নাম হলো  সবিনয়,

অথচ জীবন তার মার মার উন্মত্ততার,

পাড়া জ্বালাবার, ডাক দেয় কারাগার...

 

এরকম বন্দিদশা শ’য়ের ভেতর নিরানব্বই নামের,

কত যে রাজকুমার আস্তাবল-পিজরাপোলের

কোচোয়ান দারোয়ান সেজে তামুক সাজায়,

চোখকাড়া ব্রততী তার রূপের রগড় ছেড়ে ব্রত নেয়

           আমৃত্যু পাগল কণ্ঠ-কবিতায়।

 

সব নাম শুভ নাম  তবু কেনো শুভহীন পরিণাম!

মানুষ কী তার নাম ভুলে যায়

নামের সুঘ্রাণ, নামের দ্রবণ

অথবা নিষিদ্ধ নাকি নামের ল্যাবরেটরি?

কিছুই বুঝি না, শুধু জানি

প্রজনন কেন্দ্রগুলো খোলা আছে

           বার্থ সার্টিফিকেট বিকোবে বলে,

তারা সব নামে দেবে আকাশ কুসুম স্বপ্ন-সহযোগ

অথচ মানুষ থিতু নয় তার নামের বাগানে,

নামেই সবাই চলে তবে নামের গাড়িতে নয়,

শান্তি হলেও নাম, সন্ত্রাস সন্ত্রাস খেলে নাকের ডগায়,

নামের আত্মারা কাঁদে, বদনামে দেহ-মন ডুবে যায়...

ফুল-সম নামগুলো, সাত ভাই চম্পা হয়ে

           কেবল ঘুমায়, বড়ো অসহায়।

 

আহারে মানুষ, অমানুষ নাম পায়...