Print

কবিতা মা

পাত্র ধরার বাঁটকে যেমন হাতল বলে

সৃষ্টি ধরার তেমন আমার কবিতা মা!

 

হয়তো আমি দাবার চালে মন ডোবালাম

এমন ধারার থির মননে গদ্য পাঠে

হয়তো আমি নিমজ্জিত প্রবন্ধতায়...

লোহার বাসর লখিন্দরের নিমগ্নতা

নীরবতার এমন দেয়াল ফুটো করে

ডাকলে হঠাৎ সৃষ্টিরানি কবিতা মা,

আমি কি আর ভৃত্য কলম থাকতে পারি!

 

আকাশ বড়ো এগিয়ে গেলো, নীলছবিতে

পায়রাখোঁপের টিভিতে সেই সংস্কৃতি

ফুল্কো পোশাক, নৃত্যনারী চোখ কিনে নেয়

ঐশ্বরিয়ার ধনু আবেগ, কোটি পুরুষ

অমিতাভের হাত ধরে কে কোটিপতি

প্রশ্ন ভরা লটারি মেঘ, উড়াল ধরি

মনের উড়ান মেঘের ভেলায় বিভোর বালক

হঠাৎ টোকা মন দরোজায়... খুলেই দেখি

শ্রমের নোটিশ বাড়িয়ে দিলেন কবিতা মা,

আমি কি আর টিভি-টনিক গিলতে পারি?

 

টাইটানিকের মধ্যবুকে হিমপ্রবাহ,

আচম্বিকে ধাক্কা দু’ভাগ; সুখের অতল

কবিতা মা এমন করেই হঠাৎ হাজির,

আমি কি আর হাত পাকানো রুখতে পারি!

 

আমি কি আর শুঁকতে পারি অন্য কুসুম

মা  ভগবান কবিতাকে ভোগ না দিয়ে?