Print

মতোহীন

মতো দেখলেই মনে হয়

কবিতাটি কার যেন মতো হয়ে আছে।

কবিতায় উপমায় মতো অবিরত,

কী এক চমকহীন ডালভাত প্রথাগত।

 

নতুন বিদ্যুৎ আজ আলো ফেলে সরাসরি,

পৃথিবী বদলে যায় সূর্যকে ভাঙিয়ে,

শুধু কিছু কিছু কবিপাখি

‘পাখির নীড়ের মতো’ বাসী ঘরে চালা তোলে,

মনোহারা হয়তোবা

তবে সেই যাচিত বা অযাচিত

মতো মতো, বাকুম বাকুম

যেন মনোটোনাস ধারাবাহিক,

কবিকে বানায় ছায়াকবি, মানুষকে চাঁদমুখ মতো...

সনাতন পাঠক বিব্রত, অধুনা উদ্যত!

 

যেহেতু মানুষ সব স্বতন্ত্র ধারায় সুবিন্যন্ত;

মানুষের মন-মই হাত ধরে

কবিতা-দাঁড়াক তাই মতোহীন উচুঁশির; সমুন্নত।