বাঘের লালন
কি দারুণ কথা...
কবিরা সবাই বাঘ পুষে যান!
সত্যি বাঘের উজাড় লগ্নে কবিরা এমন
পরিবেশবাদী,
মনের মধ্যে বনের বাগান
বাঘের জন্যে ঘেরা আয়োজন,
জীবনের সব সম্ভাবনার বিকল্প পথ
সবটা বন্ধ, অথবা রুদ্ধ,
শুধু খোলা রাখে একটি গলার সুড়ঙ্গ পথ,
থাবা ভয়ানক, সেই গলা দিয়ে
বাঘ নেমে আসে বুকের গহীনে,
হৃদয় গর্ভে, হাড়ের খাঁচায়
সেই সেজো বাঘ কাগজে কেবল নোখর বসায়,
লেখাপড়া শেখা সেই সেনা-বাঘ রক্ত খোঁজেনা,
তবে সংসার ভেজে পুড়ে খায়,
বিত্তের গাড়ি এড়িয়ে আবার পায়ে পায়ে হাঁটে,
পদাবলী ঠোঁটে সেই কালো বাঘ
ভালো বাঘ নয়Ñ অন্যের দেহে বন্যের আলো
ফেলেনা, কেবল আপনার দেহে
কবির শরীরে পোকা কাটা ধ্যানে টুক টুক করে
মন কামড়ায়
প্রাণ চুষে খায়
কবিতার বাঘ কলিজা চিবায়!
মানুষকে আর মানুষ না রেখে
বাঘ-মানুষের বাসর সাজায়।
কি দারুণ কথা, কবিরা সবাই
বাঘের আদেশে কলমপেশায় নতজানু চাষী
এতো একঘরে, এতো দোলাচল তবুও তৃপ্তি
পণ্য প্রসারে, খাঁচা ভেঙে হাসে ব্যাঘ্রের হাসি।