Print

জলকথন

বৃষ্টিকে আমি কবিতা বলেছি

কবিতাকে বলি রোদ,

দারুণ দু’জনে মেলবন্ধন

সালিশেই ঋণ শোধ।

 

বৃষ্টি কেবলই ঋণী মেঘ হয়

অবাধে ছড়িয়ে ফণা,

রোদের ওঝারা বিষ তুলে নেয়

শুষ্কের জলকণা।

 

নারীকে যেমন পুকুর বলেছি

পুরুষকে সেচ-দাঁড়,

সেঁউতির জল এধারে ওধার

খেলে যা দীঘির পাড়!

 

জলপদ্মের আড়ালে দাঁড়ায়

প্রেমিক মাগুর মাছ,

মাগুরী কি তার তড়পানি জানে?

হৃদয় করে কি আঁচ?

 

বৃষ্টির ছাটে দলকচু দোলে

মাছদেহ উতলানো

কদিন এমন জল-যৌবন

রোদেও আঘাত, মানো?

 

বৃষ্টি এবং রোদ-কে মিলিয়ে

কবিতা সুতোয় ধরি,

ছিপের দোলায় জলের নাচন,

আহারে কি সুখ! মরি!