Print

কা কা কা

পাখির কণ্ঠগুলো মানুষে

আর মানুষের কর্কশগুলো পাখিতে পাখিতে

তাহলেই বন্ধ হয় কণ্ঠ-অভিনয়।

 

মানুষ অথচ মন থেকে কবিতা পড়ে না,

কবিতার কৌণিক ভাষায় কথাও বলে না

এই জন্মান্ধ স্বরগ্রামে

সে কি করে নিজেকে ঘোষণা করে

শ্রেষ্ঠ প্রজাতির উত্তরাধিকার?

সে কি করে ধারণ করে প্রেমজ-পরিবার।

 

যে কাগজ কবিতা ছাপে না

অথচ পাখির আধার নিয়ে, আবাস বিষয়ে,

বনজঙ্গল, সাইবেরিয়ান শীতকষ্টের শরণার্থী দিন

সবকিছু নিয়ে এতো আহাজারি

কিন্তু পাখিকণ্ঠ কবিতা শিকার করে

অফিস চত্বরে ঢুকতে গেলেই, ঢোকাতে গেলেই ...

 

ঐ কাগজের ক ফেলে দেই, কা ফেলে দেই

তারপর গজ গজ করুক গড়ের মাঠে

গরুদের  সাথে, গোবরের সাথে, গোচনের সাথে।

 

কণ্ঠ আর কবিতা

 যন্ত্রের বিস্ময় নয়,

মহাসৃষ্টির সুর-বৃষ্টির নান্দনিক নিঃশ্বাসের নৈকট্য।

ক্রনিক অবহেলা পেয়ে যেমন

শান্তির সন্তানেরা যায় নেশার সন্ত্রাসে,

দাম্পত্যের সুখ যায় পাগল পরকীয়ায়,

সেভাবে কণ্ঠ বদল হলে মানুষে পাখিতে

খুব স্বাভাবিক সুরে এ সমাজ শুধুই ডাকবে কা কা কা!