Print

নিজের সাঁতার নিজেই কাটি

কবরে শায়িত মা এবি মতিনা সোলায়মানকে, যিনি এ দর্শন শিখিয়েছেন

তাছাড়া আর উপায় কোথায়?

পানির ভেতর জলের ওপর হয়তো থাকে

অনেক সহায়, জলজ বেলুন নিজগতিহীন

কিন্তু আমার নিজের চলা ইচ্ছে বাহন

ভাসতে থাকা ডুবতে থাকা ঢেউ মাড়িয়ে এগিয়ে চলা

সব আয়োজন অমন গমন এই ভ্রমণে

অন্যজনের হাত-পা মাথা নি®প্রয়োজন, পঙ্গুসেবা।

তারচে জানি জল-মহলে সব মানুষের

সব নারীদের সব পুরুষের সব শিশুদের

সব বিকিনির সব সী-বীচে নিজের সাঁতার

নিজের দেহে নিজের ধ্যানে একলা সারা বিধির বিধান।

সৌর জগৎ তার ভেতরে সূর্য যেমন চন্দ্র তেমন

আমিও এমন একলা তবে, মানুষমুখো সমাজপাখি,

ভরপরিবার, পাড়ার নাগর অফিসনেতা

পুঁজি খুঁজি সিঁড়িও খুঁজি সূর্য হ’বার চন্দ্র সাজার

কষ্ট বড়ো কম্পিটিশন, সুপারিশের ট্র্যাক মেলেনা

তবুও আছি হাত-পা ছুঁড়ে নাছোড়দেহ পথ ফুরাবো।

হেলার বাঁশি যতোই বাজুক, নীল করুণা যতোই ঝরুক

আমার গতি আমার মতি এক করে আজ ছায়া হাঁটি,

সূর্য দেখো, চন্দ্র শোনো  আমার সাঁতার আমিই কাটি।

আকাশ তুমি বেশ দেখালে,

পুকুর-নদী বেশ শেখালে

ওরে মানুষ ভিড়ের জলে নিজের সাঁতার নিজেই কাটো!